Freshfoodsbd.com

অর্জুন গাছের ছাল গুড়া ১০০ গ্রাম

৳ 85.00

অর্জুন ছালের মিহি গুড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে লাগালেও দাগগুলি চলে যায়।

অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমাদের নিজস্ব তত্বাবাধনে গুড়া করা হয়।

অর্জুন গাছের ছাল গুড়া ঔষধি গুনাগুণ

বুক ধড়ফড়

যাঁদের বুক ধড়ফড় করে অথচ হাই ব্লাডপ্রেসার নেই, তাঁদের পক্ষে অর্জুন গাছের ছাল গুড়া কাঁচা হলে ১০/১২ গ্রাম অথবা শুষ্ক হলে ৫/৬ গ্রাম একটু থেতো করে, আধ পোয়া দুধ আর আধাসের পানি একসঙ্গে সিদ্ধ করে, আন্দাজ আধ পোয়া থাকতে নামিয়ে, ছে’কে বিকেলের দিকে খেতে হয়। তবে গরম অবস্থায় ঐ সিদ্ধ দুধটা ছে’কে রাখা ভাল। এর দ্বারা বুক ধড়ফড়ানি নিশ্চয়ই কমবে। তবে পেটে বায়ু না হয় সে দিকটাও লক্ষ্য রাখতে হয়। লো- ব্লাড্প্রেসারে– উপরিউক্ত পদ্ধতিতে তৈরী করে খেলে প্রেসার স্বাভাবিক হয়।

রক্তপিত্তে

মাঝে মাঝে কারণ বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে; সে ক্ষেত্রে ৪/৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওটা সকালে ছেকে নিয়ে পানিটা খেতে হয়। শ্বেত বা রক্তপ্রদরে- উপরিউক্ত মাত্রা মত ছাল ভিজানো পানি আধ চামচ আন্দাজ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে উপশম হয়।

ক্ষয় কাসে

অর্জুন ছালের গুড়ো, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে, সেটা শুকিয়ে (অন্ততঃ সাত বার) নিয়ে রাখতে হবে। দমকা কাসি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছিরির গুড়ো মিশিয়ে খেতে হবে।

শুক্রমেহে(Spermatorrhoea)

অর্জুন ছালের গুড়ো ৪/৫ গ্রাম আধ পোয়া আন্দাজ গরম পানিতে ৪/৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ছেঁকে ঐ পানিতে আন্দাজ ১ চামচ শ্বেতচন্দন ঘষা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। যাঁদের ইস্তিঞ্জার (প্রস্রাবের) সঙ্গে Puscell বা পুঁজ বেশী যায়, তাঁরা ৩/৪ গ্রাম শুকনো অর্জুন ছাল আধ পোয়া আন্দাজ গরম পানিতে ৪/৫ ঘন্টা ভিজিয়ে পরে ছেকে তার সঙ্গে একটু রান্না করা বার্লি মিশিয়ে খেলে তা সেরে যাবে।

রক্ত আমাশয়ে

৪/৫ গ্রাম অর্জুন ছালের কাথে ছাগল দুধ মিশিয়ে খেলে তা সেরে যাবে। উল্লেখ্য যে, অর্জুন গাছের সব অংশই কষায় রস (Astringent); এর জন্যই ওর কাথে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। ওদিকটা ও লক্ষ্য রাখা দরকার। তবে এটা দেখা যায় দুধে সিদ্ধ অর্জুন ছালের ব্যবহারে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না।

অর্জুন গাছের ছাল গুড়া

মচ্কে গেলে বা হাড় ফেটে গেলে

অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে ওখানে লাগিয়ে বেঁধে রাখলে ওটা সেরে যায়; তবে সেই সঙ্গে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২/৩ গ্রাম মাত্রায় আধ চামচ ঘি ও সিকি কাপ আন্দাজ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভাল হয়।

মেছতায়

অর্জুন ছালের মিহি গুড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে লাগালেও দাগগুলি চলে যায়। হার্ণিয়া হলে- অর্জুনের ফল কোমরে বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।

পুঁজস্রাবী ঘা (ক্ষত)-

অর্জুন ছালের কাথে ধুয়ে, ঐ ছালেরই মিহি গুঁড়ো ঐ ঘায়ে ছড়িয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।ফোড়া– অর্জুনের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ওটা ফেটে যায়, তারপর ঐ পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

হাঁপানীতে (Cardiac)

অর্জুনের ফলের শুষ্ক টুকরো কলকে করে তামাকের মত ধোঁয়া টানলে হাঁপের টান কমে যায়।(এটি করার আগে তাকে অবস্বই মাজুর হতে হবে)। অ্যাজমা: অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

বাত ব্যথা ও আঘাতজনিত ব্যথায়

অর্জুন ছালের প্রলেপ দ্বারা বাত ব্যথাসহ সব ধরনের আঘাতজনিত প্রদাহে/ ব্যথায় আরাম হয়। এ ছাড়াও অর্জুন ছাল, অর্জুন ফল, অর্জুন মূল বা শিকড়ের সঙ্গে বাবলার পঞ্চাঙ্গ একসঙ্গে মিশায়ে ক্বাথ বা জোসান্দা তৈরি করে সেবনে বাত ব্যথা ও আঘাত জনিত ব্যথা উপশম হয়। অর্জুন ছাল চূর্ণ দুধসহ সেবনে বাত ও আঘাতজনিত ব্যথা থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। দন্তরোগে : দাঁত নড়া, দাঁত দিয়ে রক্ত পড়া, ঠা-া বা গরম পানিতে দাঁত শিরশির করা, দাঁতের গোড়া ফুলে যাওয়া, মুখের দুর্গন্ধসহ যাবতীয় দন্তরোগের ক্ষেত্রে অর্জুন ফল, অর্জুন ছাল, নারিকেল গাছের নতুন শিকড় সবগুলো একত্রে মিশিয়ে পানিতে জ্বাল করে ক্বাথ তৈরি করে এতে সামান্য পরিমাণ কর্পূর মিশিয়ে প্রত্যহ দু’বার ওই দ্রবণ মুখের ভেতর গড়গড়ালে দন্তরোগ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।

 

এ ছাড়াও ২০০ গ্রাম অর্জুন গাছের ছাল গুড়া, ২০ গ্রাম লবঙ্গ, ২০ গ্রাম কাবাব চিনি, ৫০ গ্রাম নিমের ছাল, ৫০ গ্রাম নারিকেল গাছের শিকড়, ১ গ্রাম কর্পূর, ১ গ্রাম পিপারমেন্ট সবগুলো উপাদান একত্রে মিশায়ে পাউডার প্রস্তুত করে নিয়মিত সকাল ও রাতে দাঁত ব্রাশ করলে দন্তরোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য হওয়া যায়।

 

যৌনরোগে : পুরুষের জনন যন্ত্রাদি হলো অ-কোষ বা স্ক্রেটাম এবং তাতে অবস্থিত দুটি অ- বা টেসটিস, শুক্রবাহী নালি, প্রস্টেট গ্রন্থী, শুক্রথলি বা সেমিন্যাল ভেসিকল এবং যৌনইন্দ্রিয়. পুরুষের শুক্রকীট সৃষ্টি হয় অ-দ্বয় বা টেসটিসে আবার অ- দুটি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়, যা পুরুষের যৌনতাকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তাদের নাম হলো টেস্টোস্টেরোন এবং এন্ড্রোজেন. নিয়মিত অর্জুন ছাল, অর্জুন ফল, অর্জুন মূল দ্বারা তৈরিকৃত সিরাপ সেবনে টেস্টোস্টেরোন এবং এন্ডোজেন হরমোন সঠিকভাবে নিঃসৃত হতে সহায়তা করে। যাদের মধ্যে একান্ত নিবাসে অনীহা (Lack of Libido) দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়।

 

কান ব্যথায়: পাতার টাটকা রস কর্ণ প্রদাহনাশক ও দেহ অভ্যন্তরের বিষক্রিয়া নষ্ট হয়।
হজম ক্ষমতা বাড়ায়:

 

ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়।

 

জ্বর নিবারক: অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে। এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ।
ইদানিং অর্জুন গাছের ছাল থেকে ‘অর্জুন চা’ তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।
Weight 200 g

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অর্জুন গাছের ছাল গুড়া ১০০ গ্রাম”

Your email address will not be published. Required fields are marked *